দ্বীন ই ইলাহি থেকে মুজিববাদ,
আবুল ফজল থেকে ফরিদ উদ্দিন মাসুদ গং
দীন-ই-ইলাহি (ফার্সি: دین الهی), অর্থাৎ "ঈশ্বরের ধর্ম," মুঘল সম্রাট আকবর কর্তৃক ১৫৮২ সালে প্রবর্তিত একটি বিতর্কিত ধর্মীয় মতবাদ। আকবর তার শাসনামলে বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে ঐক্য স্থাপন করতে এবং সাম্রাজ্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৫৭৫ সালে আকবর ফতেপুর সিক্রিতে একটি ইবাদতখানা নির্মাণ করেন, যেখানে তিনি ইসলাম, হিন্দু, জৈন, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মের পণ্ডিতদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ধর্মীয় আলোচনা শুরু করেন। এসব আলোচনা থেকে তিনি উপলব্ধি করেন যে, সকল ধর্মের মূল উদ্দেশ্য মানুষের নৈতিক উন্নয়ন এবং ন্যায়নিষ্ঠা। তার এই উপলব্ধি থেকেই 'দীন-ই-ইলাহি' মতবাদ তৈরি হয়। যদিও আকবর নিজে এটিকে নতুন কোনো ধর্ম হিসেবে উপস্থাপন করেননি, তার সভাসদ কথিত "আল্লামা"আবুল ফজল এটিকে তৌহিদ-ই-ইলাহি বা ঐশ্বরিক একেশ্বরবাদ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
দীন-ই-ইলাহির মূলনীতি
এই ধর্মমতের মূলনীতি ছিল সরল ও নিরপেক্ষ:
সকল ধর্মের সত্যতা গ্রহণ।
মানুষের মধ্যে নৈতিকতা ও ঐক্যের বিকাশ।
শাসকের প্রতি প্রজাদের অনুগত থাকা।
প্রতি রবিবার আকবর তার অনুসারীদের দীক্ষা দিতেন। এই দীক্ষা গ্রহণ ছিল ঐচ্ছিক। তার মতে, শাসক ঈশ্বরের প্রতিনিধি এবং তিনি তার প্রজাদের প্রতি পিতৃসুলভ দায়িত্ব পালন করছেন।
দ্বীন ই ইলাহি এর সাথে মুজিববাদের হুবহু মিল এখানেই খুজে পাওয়া যায়।
আকবরের দরবারের "মোল্লা" এবং তাদের ভূমিকা
আকবরের এই ধর্মীয় উদ্যোগে তার দরবারের বিদ্বান ও পণ্ডিতদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বিশেষত, আবুল ফজল ইবনে মুবারক, যিনি ছিলেন আকবরের প্রধান মন্ত্রী ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী। আবুল ফজল তার গ্রন্থ আইন-ই-আকবরি-তে এই ধর্মমতকে বৈধতা দিতে প্রচুর প্রোপাগান্ডা চালান।
শেখ হাসিনার "মুজিববাদ" এবং আকবরের দীন-ই-ইলাহির সঙ্গে তুলনা
আধুনিক বাংলাদেশে মুজিববাদ নামে একটি মতবাদ প্রবর্তনের প্রচেষ্টা ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার কুখ্যাত শাসক শেখ হাসিনা, তার পিতার প্রতি আনুগত্যের নাম করে এই মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। মুজিববাদ ছিল একটি রাজনৈতিক আদর্শ, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একটি ধর্মীয় স্তরে উন্নীত করার চেষ্টা চালানো হয়।
যেমন আকবরের দরবারে কিছু "আকবরী মোল্লা" ছিলেন যারা দীন-ই-ইলাহিকে সমর্থন দিয়েছিলেন, তেমনই শেখ হাসিনার শাসনামলেও কিছু মোল্লা এবং বুদ্ধিজীবী তার মুজিববাদ প্রতিষ্ঠায় সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন। তারা ইসলামের বিভিন্ন দিক এবং সর্বধর্মের উপাদান নিয়ে মুজিববাদকে ধর্মের আড়ালে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।
"আকবরী মোল্লা" বনাম "শেখ হাসিনার মোল্লা"
অতীতে আকবর তার শাসনকে নৈতিক ভিত্তি প্রদানের জন্য মোল্লাদের ব্যবহার করেছিলেন। একইভাবে শেখ হাসিনার শাসনামলে কিছু বুদ্ধিজীবী ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুজিববাদকে জনপ্রিয় করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তারা ইসলামের অন্তর্গত নৈতিকতার দোহাই দিয়ে মুজিববাদকে প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা করেছেন
মুজিববাদ প্রতিষ্টায় সহযোগী কয়েকজন রাঘব বোয়াল
![]() |
| ফরিদ উদ্দীন মাসুদ |
ফরিদ উদ্দিন মাসুদ
ইনিও "আল্লামা", ফরিদ উদ্দিন মাসুদ ওরফে শাহবাগী মাসুদ ওরফে ফ্রড মাসুদের সাথে সম্রাট আকবরের আল্লামা আবুল ফজলের কোন তফাৎ নেই। আওয়ামী শাসনামলে রাজাকারের বিচারের আড়ালে শাহবাগে ইসলাম বিদ্বেষের বিস্ফোরণ ঘটেছিল, সর্বাগ্রে আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসুদ সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয়ে " জীবনের সবচেয়ে বড় পূন্যর কাজ করেছেন" বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
পরবর্তীতে হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে দেশব্যাপী ঈমানী চেতনার গণবিস্ফোরণ ঘটলে এই এক বিংশ শতাব্দীর আবুল ফজল হেফাজত ইসলামের বিরুদ্ধে স্বগোত্রীয় মোল্লাদের নিয়ে নিজস্ব বলয় তৈরী করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হন।
বাংলার মানুষকে ১৬ বছর ফ্যাসিবাদের যাতাকলে পিষ্ট করার অন্যতম সহযোগী ছিলেন ফরিদ উদ্দিন মাসুন।
সারাদেশের আলেম একদিকে, ফারিদ উদ্দীনন মাসুূদ সব সময় তার বিপরীত ভূমিকায় অন্যদিকে থাকতেন।ফরিদ উদ্দীন মাসুদের মাধ্যমে শেখ হাসিনা আলেমদের মাঝে "ডিভাইন এন্ড রুল " ফর্মুলা সফলভাবে প্রয়োগে সক্ষম হয়েছিলেন।
হাসিনার পলায়নের পর ফরিদ উদ্দিন মাসুদ স্বসম্মান এবং নীরব নিবৃতে আছেন।
দাদার পীরালি ব্যবসা থেকে বাপ পর্যন্ত পৌছার পর চরমোনাই তরিকা পুরো বাংলাদেশে বিস্তৃতি লাভ করে, তখন চরমোনাই ধর্মীয় তরিকার পাশাপাশি রাজনৈতিক সংগঠনে রূপধারণ করে,
ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন নামের যাত্রা শুরু হয়েছিল আরেক ধর্মীয় সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর সরাসরি প্রতিপক্ষ হিসাবে,
বাপের মৃত্যুর পর পুত্র কোঠায় চরমোনাই তরিকা ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃত্বের চেয়ারে বসেন তারই দুই পুত্র ফয়জুল করীম, ও রেজাউল করীম।
জনমনে জোড়া পীর,কীর্তনখোলার পীর হিসাবেও পরিচিত দুইভাই।
করিম ব্রাদার্সদের মধ্যে রেজাউল করীম নিরব নিবৃত ও নামকাওয়াস্তে দল ও তরিকার হাল ধরলেও সব সময় লাইমলাইটে থাকেন ফয়জুল করীম।
শেখ হাসিনার শাসনামলে অনন্য ধর্মীয় সংগঠন ও নেতারা কোনঠাসা এবং অবরুদ্ধ থাকলেও ফয়জুল করীমরা ছিল পোয়াবারো,জামায়াত বিদ্বেষ চরমোনাইকে আওয়ামী শাসনামলে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে দল ও তরিকা চালানোর একচ্ছত্র লাইসেন্স এনে দিয়েছিল।
আওয়ামী লীগ চেয়েছিল চরমোনাইকে জামায়াতের বিকল্প শক্তি হিসাবে প্রতিষ্টা করতে এবং চরমোনাই তরিকায় ইসলাম পন্থীদের পরিচালনা করতে, শেখ হাসিনা এক্ষেত্রেও "ডিভাইট এন্ড রুল" ফর্মূলা প্রয়োগে সফল হয়েছিলেন।
চরমোনাই তরিকার বাইরে থাকা অনন্য হকপন্থী আলেম ওলামার উপর নৃশংস আওয়ামী হায়েনাদের নির্যাতনের স্টিমরোলার চললেও প্রায় "সেম অপরাধ" করেও ফয়জুল করীমরা ছিল অপ্রতিরোধ্য এবং ধরাছোঁয়ার বাইরে।
বিনিময়ে ফয়জুল করীমরা ধর্মীয় অঙ্গনে হিংসা,ঘৃণার বিষবাষ্প ছড়িয়ে ও বিভক্তির রাজনীতি করে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল ঐক্যের মূলে কুঠারাঘাত করেছেন।
ফয়জুল করীমের নেতৃত্বধীন রাজনৈতিক দলের টার্গেটই ছিল হাসিনা বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় সংগঠন।
ফলে দেখা যেত একদিকে সকল আলেম ওলামা ও রাজনৈতিক দল, অন্যদিকে চরমোনাই।
স্থায়ী নির্বাচন থেকে জাতীয় নির্বাচন, হাসিনার সকল প্রহসনের নির্বাচনকে বৈধতা দিতে মাঠে থেকেছেন চরমোনাই, হকপন্থী আলেম ওলামা ধরে জোরপূর্বক "চরমোনাইকরণ" করার অভিযোগও আছে, ব্যার্থ হলে "বিএনপি জামায়াত" এর দালাল ট্যাগ দিয়ে অসংখ্য আলেম ওলামা ও তৌহিদী জনতাকে পেটুয়া বাহিনী লেলিয়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
সর্বশেষ শেখ হাসিনা ফয়জুল করীমদের কোলে তুলে আচাড় মেরেছিল বিগত বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে।
ফয়জুল করীমকে সিটি মেয়র নির্বাচিত করার প্রলোভনে দেখিয়ে মাঠ গরম করে নির্বাচনের দিনই পীরের মুখে আঘাত করে বসেন আওয়ামী কর্মীরা, ফলে ফয়জুল করীমের পরিবর্তে আওয়ামীলীগের হাসনাত আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি মেয়র নির্বাচিত হয়,
চরমোনাই এর সাথে শাসকদলের এহেন "মুনাফেকি" র কারণে মোহ ভাঙে চরমোনাই এর, নীরব নিবৃত সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
ছাত্রদের কোঠা আন্দোলন যখন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে, ছাত্র বিক্ষোভ যখন জনবিস্ফোরণ ধারণ করে, তখন সুযোগ বুঝে "প্রতিশোধ" নিতে মাঠে নেমে আসে ফয়জুল করীমের নেতৃত্বধীন চরমোনাই।
শেখ হাসিনার পলায়নের মাত্র ২দিন আগে মাঠে নেমে ১৬ বছরের সকল পাপ পক্ষিলতা ধূয়ে মুছে পরিস্কার হয়ে এখন চরমোনাই আগের মতই পোয়াবারো হয়ে রইলেন।
বয়স ও প্রয়োজনের ভারে নূজ্য হয়ে যাওয়া এরশাদের জাতীয় পার্টির শূণ্যস্থান পূরন করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবির্ভূত হয়েছে চরমোনাই।
তার পিতা একজন জগতসেরা আলেম ও ধর্মপ্রচারক আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী রহঃ ছিলেন শেখ মুজিবের সামসময়িক এবং সমালোচনাক, আওয়ামী ধর্মগ্রন্থ "অসমাপ্ত আত্মজীবনী"তে মুজিব তার বিরোধিতার কথা লিখে গিয়েছিলেন।
কিন্তু পুত্র মাওলানা রুহুল আমীন গোপালগঞ্জী আগাগোড়া আওয়ামীলীগার ছিলেন,পীর ফয়জুল করীম ও ফরিদ উদ্দিন মাসুদদের মত তিনি অবশ্যই ভিন্ন অবস্থান থেকে মুজিববাদের আবুল ফজল হিসাবে কাজ করেননি,অকৃত্রিমভাবে আওয়ামী লীগ করেছেন এবং মুজিবের ধর্মমত প্রতিষ্টায় কাজ করে গেছেন।
কওমী মাদ্রাসার বহুল প্রত্যাশিত প্রাণের দাবী "কওমী সনদ" শেখ হাসিনার একটি রাজনৈতিক কূটচাল ছিল, সেটার জের ধরে জোরপূর্বক "শোকরানা মাহফিল" ছিল এই রুহুল আমীন গংদের আরেকটা কুটনীতি।
সে মাহফিলে শেখ হাসিনাকে "কওমী জননী" উপাধি দিয়ে রুহুল আমীন এদেশের ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ও আলেম ওলামার যে অপূরণীয় ক্ষতি করেছেন, তা পুষিয়ে উঠা বোধহয় কখনোই সম্ভব না।
সর্বশেষ আওয়ামী সরকার রুহুল আমীনকে জাতীয় মসজিদের খতিব পদে নিয়োগ দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় স্থান কলংকিত করেছিলেন।
শেখ হাসিনার পতনের পরের সাপ্তাহেই মুসল্লীরা জুতা পেটা করে মসজিদ থেকে তাড়িয়ে জাতীয় মসজিদের মিম্বরকে কলংক মুক্ত করেছেন।
লালবাগ মাদরাসার সাধারণ শিক্ষক থেকে প্রচন্ড আওয়ামী বিরোধীতা করে জনপ্রিয়তা লাভ করে ইসলামি ঐক্যজোটের একাংশের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিবের পদলাভ করে লাইমলাইটে উঠে মুফতি ফয়জুল্লাহ ৩৬০ ডিগ্রি উল্টে হয়ে যান শেখ হাসিনার পোষা বিড়ালে।
বিচ্ছিন্ন হয়ে যান সকল আলেম ওলামা থেকে, একসময় এমনটা দাড়ায় যে পুরোদেশের আলেম ওলামা ঐক্যবদ্ধ ভাবে একদিকে, ফয়জুল্লাহরা ঠিক বিপরীত দিকে,আওয়ামী পুষ্টিতে পরিপুষ্ট ফয়জুল্লাহ রাতারাতি "জাতীয় আলেমে" রূপান্তরিত হয়।
আত্মীয় স্বজন ও স্বগোত্রীয় আলেমদের কাছে এক মুর্তিমান আতংকে পরিণত হয়।
হক পন্থীদের উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার,জেল জুলুমে ফয়জুল্লাহর ভূমিকার কথা ইতিহাসের কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।
শেখ হাসিনার পতনের দিনই বিকেলে ফয়জুল্লাহর পতন ঘটে, জবরদখলকৃত লালবাগ মাদরাসা থেকে বের করে ছাত্র জনতা ফয়জুল্লাহকে গণধোলাই দেন, পরে সেনাবাহিনী এসে উদ্ধার করে লজ্জাজনক ভাবে বসিয়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দেন,অতপর দুবাই পালিয়ে প্রানে বাচেন এই দালাল আবুল ফজল।
একবিংশ শতাব্দীতে যে সকল ধর্মীয় ব্যাক্তিত্ব ও ইসলামি আন্দোলনের কীর্তিমান পুরুষের আবির্ভাব হয়েছিল,তাদের মধ্যে উজ্জল জোতিস্ক হিসাবে মুফতি ফজলুল হক আমিনী ওরফে মুফতি আমিনীর নাম জ্বল জ্বল করবে।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার এই মানুষের কন্ঠকে আজরাইলের মত ভয় করত, সারাক্ষণ তটস্থ থাকত তার ভয়ে, ২০১২ সালের ১২ ই ডিসেম্বর শতাব্দীর একটি সেরা তারিখে গৃহবন্দী থাকায় অবস্থায় তার হঠাৎ মৃত্যু হয়, তার নাতি মাওলানা আশরাফ মাহদী বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ এনেছিলেন,জনমনেও এমন ধারণা বদ্ধমূল।
কিন্তু বিষ প্রয়োগ করেছিল কার মাধ্যমে?
এখানেই উঠে আসে আলতাফের নাম।
আলতাফ হোসাইন ছিলেন মুফতি আমিনীর খাদেম।
ফলে সরকারের সাথে তার একটা " বিশেষ সম্পর্ক " গড়ে উঠেছিল।
এই সম্পর্ক দিয়ে আলতাফ হোসাইন কওমী অঙ্গনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার লাভ করেছিল,তার আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ধর্মীয় অঙ্গন থেকে রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পৌছে গিয়েছিল।
নানা সময় ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে তাকে গণভবনে দেখা যেত।
এদিকে প্রভাব প্রতিপত্তি অন্য দিকে মুফতি আমিনীর খুনি হিসাবে আলতাফ হোসাইনের নাম সারাদেশে ছাড়িয়ে পড়ে।
শেখ হাসিনার পতনের দিন মুফতি ফয়জুল্লার সাথে আলতাফ হোসাইনকেও গণধোলাই দেয়া হয়, অতপর অদ্যবধি তার খোজ মিলেনি।
.jpg)
.jpeg)


.webp)
.jpeg)